প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

জনাব মোঃ জিল্লুর রহমান

জনাব মোঃ জিল্লুর রহমান
জন্ম- ৯মার্চ, ১৯২৯; – মৃত্যু- ২০ মার্চ, ২০১৩ জনাব মোঃ জিল্লুর রহমান ১৯২৯ সালের ৯ মার্চ কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম মেহের আলী মিঞা ছিলেন প্রখ্যাত আইনজীবী ও তৎকালীন ময়মনসিংহ লোকাল বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং জেলা বোর্ডের সদস্য। জনাব জিল্লুর রহমান ময়মনসিংহ জেলা শহরে তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু করেন। ১৯৪৫ সালে ভৈরব কেবি হাই স্কুল থেকে তিনি মেট্রিক, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে আই.এ. এবং ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে অনার্সসহ এম.এ. ও এল.এল.বি. ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি স

আইভি রহমান

আইভি রহমান
বাংলাদেশেরএকজন রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী। তাঁর পুরো নাম জেবুন্নাহার আইভি। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন সক্রীয় সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ এবং সমাজসেবায় অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখার জন্য তিনি স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করেন। আইভি রহমান ১৯৪৪ সালের ১ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার চন্ডিবের গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন৷ আট বোন ও চার ভাইয়ের মধ্যে তাঁর অবস্থান ছিল পঞ্চম। তাঁর বাবা জালাল উদ্দিন আহমেদ ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। মা হাসিনা বেগম গৃহিণী ছিলেন। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা জীবন ভৈরব থানার অন্তর্গত একটি বিদ্যালয়ে সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা

কমান্ডার (অব.) আবদুর রউফ

কমান্ডার (অব.) আবদুর রউফ
জন্ম : ১৯৩৩ সালে| জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার ভৈরবপুর গ্রামে। পিতা আলহাজ্ব আবদুল লতিফ ছিলেন স্থানীয় পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান। ছাত্রজীবনে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি ছিলেন ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক (১৯৫১-৫২), কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাধারণ সম্পাদক (১৯৫৩-৫৪) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের সাধারণ সম্পাদক (১৯৫৫-৫৬)। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে এম. এ পাশ করার পর শিক্ষতায় যোগ দেন। ১৯৬১ সালে বি.এড পাস করার পর উপ-অধ্যক্ষ হিসেবে ঢাকার শাহীন স্কুলে যোগ দেন। ১৯৬২ সালে যোগ দেন পাকিসত্মান নৌবাহিনীতে। সেখানে কর্মরত থাকা অবস্থায় আ

প্রয়াত হাজী এম.এ.মান্নান মিয়া

প্রয়াত হাজী এম.এ.মান্নান মিয়া
ব্রিটিশ শাসনামলে এবং পরবর্তীকালে পাকিস্তান শাসনামলে ভৈরবের অবিসংবাদিত কৃতি সন্তান হাজী শেখ নূর মোহাম্মদ মিয়ার নাতি প্রয়াত এম. এ. মান্নান গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা রেখেছেন। তিনি সর্বভারতীয় মুসলিম স্টুডেন্টস লীগের সেক্রেটারী হিসেবে স্বাধীকার আন্দোলনে অবদান রাখেন। ভৈরবের হাজী আসমত কলেজ, জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা, ভৈরব গার্লস স্কুল সহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

আব্দুর রহমান কালা মিয়া

আব্দুর রহমান কালা মিয়া
জন্ম ১৮৯৩ সালে ভৈরবের জগন্নাথপুর গ্রামে । গায়ের রং এমনই কালো ছিল যে আব্দুর রহমান প্রকৃত নাম হলেও কালামিয়া নামেই তিনি বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। তিনি ভৈরব পৌরসভার প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে আধুনিক ভৈরবের এই রুপকারের অবদান অবিস্মরণীয়। পৌরসভা থেকে তিনি কোন সম্মানি ভাতা নিতেন না। ভৈরব এম.পি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ভৈরব কে.বি পাইলট হাই স্কুল এবং হাজী আসমত কলেজ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে তার ভূমিকা অতুলনীয়। স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠা ছাড়াও তিনি ভৈরব পৌরসভার বর্তমান পাকা ভবন, পৌরসভার সকল গ্রামে পাকা রাস্তা নির্মাণ, থানা সার্কেল অফিস নির্মাণ, পৌর মাতৃসদন, পৌর পাঠাগার ও ভৈরব

জনাব মোয়াজেম হোসেন

জনাব মোয়াজেম হোসেন
জন্ম ১৯৩৯ সালের ১০ইং ফাল্গুন কালিকাপ্রসাদ গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মুন্সী বাড়িতে । পিতা মৌলভী মোমতাজ উদ্দিন আহমেদ এবং মাতা বেগম আলতা বানুর প্রথম ও একমাত্র পুত্র সন্তান ছিলেন। ডাক নাম ছিল গোলাপ । দাদা হাজী মাহমুদ হোসেন সরকার কালিকাপ্রসাদ জুনিয়র মাদ্রাসার (১৯১৬) প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। লেখাপড়া শুরু হয় কালিকাপ্রসাদ জুনিয়র মাদ্রাসা স্কুলে। এই স্কুলে তিনি অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। ধর্মীয় শিক্ষায় তিনি ছিলেন কোরআনে হাফেজ । ১৯৫৫ সালে ভৈরব কে.বি হাইস্কুল থেকে মেট্রিক এবং ১৯৫৭ সালে হাজী আসমত কলেজ ভৈরব থেকে আই এ পাশ করে ভতি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর রাষ্ট্রবিজ্ঞান

আলহাজ্ব মো: নুরুজ্জামান লাল মিয়া

আলহাজ্ব মো: নুরুজ্জামান লাল মিয়া
ভৈরবের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯২১ সালে জন্মগ্রহন করেন এবং মৃত্যুবরণ করেন ২৫জুন ২০০২ সালে। আব্দুল ছাহেদ মিয়ার দ্বিতীয় ছেলে এবং ছাবর আলী হাজীর দৌহিত্র। ভৈরব তথা কিশোরগঞ্জের শিক্ষাঙ্গনে অতি পরিচিত নাম। জীবনকে তিনি উতস্গ করেছেন শিক্ষাব্রত, খেলাধুলা ও সমাজসেবায়। গত শতকের চল্লিশের দশক থেক অক্লান্ত পথ চলেছেন শিক্ষাবিস্তার ও উন্নয়েনর দায়িত্ব কাধে নিয়ে। কখনও কতটুকু থেমে থাকেননি। নিরলস ও নির্মোহ কর্মততপরতার ফলেই তার নিজের পৈত্রিক জমিতে প্রতিষ্ঠিত ভৈরব আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (মডেল স্কুল) উপজেলায় শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের স্বীকৃত পায়। তিনি দীর্ঘ ২৫বছর এই বি

আলহাজ্ব মুন্সী আবদুল মতিন

আলহাজ্ব মুন্সী আবদুল মতিন
পিতা: মরহম আলহাজ্ব আবদুল করিম মুন্সী। ভৈরবপুর দক্ষিণপাড়ার হাজী আবদুল করিম মুন্সীর বাড়ি। জন্ম ১৯১৯ সালে, মৃত্যু ২৮ এপ্রিল ২০০৩। আজীবন সদস্য- ভৈরব প্রেস ক্লাব, নাটাব, রেডক্রস বাংলাদেশ গর্ভনিং বডির। সদস্য- হাজী আসমত কলেজ (৩বার), ভৈরব কে.বি পাইলট হাই স্কুল (৭বার), ভৈরব এমপি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৪বার), ভৈরব আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (৩বার) এবং ভৈরব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সরকারী মোতাওয়াঈ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।

রেবতীমোহন বর্মণ

রেবতীমোহন বর্মণ
রেবতী মোহন বর্মণ ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ঐতিহাসিকক্ষণে বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার শিমূলকান্দি গ্রামে এক শিক্ষিত বিত্তশালী বর্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা হরনাথ বর্মণ ছিলেন একজন প্রখ্যাত আইনজীবী। ইংরেজদের প্রতি আনুগত্যের জন্য তিনি ‘রায়’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে চতুর্থ রেবতী মোহন বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার চুন্টা গ্রামের একটি স্কুলে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। ছাত্রাবস্থায় ইংরেজদের বিরুদ্ধে অসহযোগ ও স্বদেশি আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ায় তাঁর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি হয়। এরপর বিভিন্ন স্কুল পরিবর্তনের পর ১৯২২ সালে কিশোরগ